মোঃ রিপাজ উদ্দিনঃ

 

প্রশাসনিক পূর্নবিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি(নিকার) এর কাজ হল সরকারকে প্রশাসনিক পূর্নবিন্যাস সংক্রান্ত কাজের সুপারিশ করা, সে হিসেবে আমরা আশা করতে পারি যে নিকার হাতিয়ার প্রশাসনিক পূর্নবিন্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে সুপারিশ করবে সরকারকে। ২০০৪ সালের ২৪ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নতুন উপজেলা, থানা ও তদন্ত কেন্দ্র স্হানের সংশোধিত নীতিমালা প্রনয়ণ করে গেজেট আকারে পরিপত্র জারি করে। পরিপত্রে ৫ টি শর্তের কথা বলা হলেও ১ নং ও ২ নং শর্তাবলী মূলত উপজেলা হবে কিনা তা নির্ধারন করবে। উপজেলা স্হাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে বাকি ৩ টি শর্ত প্রযোজ্য হবে উপজেলা স্হাপনে জড়িত কর্তৃপক্ষের জন্য।
নতুন উপজেলা স্হাপনের নীতিমালা:
১(ক) প্রস্তাবিত উপজেলা এলাকার ভৌগোলিক অবস্হান, প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা, অবকাঠামোগত অসুবিধা, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্হা,স্বাস্হ্যসেবা, শিক্ষা প্রসারে অনগ্রসর ইত্যাদি কারণে ঐ এলাকার চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে কিনা তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা থাকতে হবে।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা : ১৮/০২/২০১৯ তারিখে দেশের হাওর-দ্বীপ-চরের ১৬ উপজেলাকে দুর্গম বিবেচনা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করে পার্বত্য এলাকাবহির্ভূত হাওর, দ্বীপ, চর অঞ্চলের ১৬টি উপজেলাকে দুর্গম এলাকা হিসেবে গণ্য করা হবে।নোয়াখালীর হাতিয়া তাদের মধ্যে একটি, এমনিতে হাতিয়ার জীবন ধারা মধ্য যুগীয় কায়দায়৷এখানে নেই কোন শিল্প কারখানা,নেই বিদ্যুৎ, নেই ভাল রাস্তা, নেই ভাল অবকাঠামো, নেই ভাল জেটি, নেই ভাল ৱাজনীতিবিদ, নেই অর্নাস কোর্স, নেই ভাল যানবাহন, নেই ভাল প্রতিষ্ঠান৷

এখন প্রশ্ন হল হাতিয়ায় আছে কি! যা দ্বারা নাগরিকরা আধুনিক জীবন উপভোগ করবে৷ এসব কারনে হাতিয়া কে জেলা করা জরুরী হয়ে পডেছে৷ এটা কোনো নতুন ঘোষণা নয়। কয়েক বছর পরপর দুর্গম এলাকার তালিকা হালনাগাদ করা হয়। দুর্গম এলাকা সম্পর্কিত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩-এর প্রজ্ঞাপনে ১৩টি জেলার মোট ২২টি উপজেলাকে দুর্গম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে৷ দেশের দশটি দূর্গম উপজেলার মধ্যে হাতিয়া একটি,অন্যান্য দূর্গম এলাকা গুলো পাহাড়ি অঞ্চল হলে এটি ব্যাতিক্রম অর্থাৎ এটি সাগর/ নদী বেস্টিত।এটি এতটা দূর্গমযে আজ পর্যন্ত হাতিয়ার চার পাশে জেগে চরাঞ্চল গুলো দেশের ম্যাপে,গুগল ম্যাপে,গুগল আর্থে অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি,অথচ অন্যান্য দেশে চর জেগে উঠার আগে তা ম্যাপে দেখা যায়।যার কারন হাতিয়ার চারপাশে জেগে উঠা চরাঞ্চল নিয়ে ভোলা, সুন্দ্বীপ, সুর্বন চর ও লক্ষ্মীপুরের সাথে বিরোধ চলছে দীর্ঘ দিন।।তাই শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিরোসন ও সময়ের দাবী হল এসব চরাঞ্চল গুলোকে দেশের ম্যাপ,গুগল ম্যাপ ও গুগল আর্থের সাথে অন্তর্ভূক্ত করা।
(খ) প্রস্তাবিত উপজেলা সৃষ্টির পিছনে কোন প্রকার আইনগত, টেকনিক্যাল বা প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতা আছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা : হাতিয়ার মানুষ নূন্যতম মৌলিক চাহিদা ও মৌলিক অধিকারটুকু পাচ্ছেনা তা বলার অপেক্ষা রাখেনা যেমন শিক্ষা, স্বাস্হ্য, শিল্প, যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যদিয়ে প্রতিনিয়ত জাতীয় জীবন /নাগরিক জীবন পার করছে।দেশ যখন উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে ঠিক তখন প্রাকৃতিক দূর্যোগ যেমন নদী ভাঙ্গন,বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের ইত্যাদির সাথে লডাই করে বাঁচতে হচ্ছে।পশ্চাৎপদ এ জনপদকে উন্নয়নের মূল স্রোতে আনতে কিছু সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা আছে বলে মনে করি, সংক্ষেপে তা আলোচনা করা হল এবং বিস্তারিত ছবিতে দেওয়া হল।তার ভিত্তি হল রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির ২য় ভাগের ১৪ নং অনুচ্ছেদ(কৃষক শ্রমিকের মুক্তি), ১৫ নং অনুচ্ছেদ (মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্হা), ১৬নং অনুচ্ছেদ(গ্রামীন উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব),১৮(ক)নং অনুচ্ছেদ(পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র সংরক্ষন ও উন্নয়ন), ১৯(১,২)নং অনুচ্ছেদ ( সুযোগের সমতা), ২৩ নং অনুচ্ছেদ(জাতীয় সংস্কৃতি), ২৪ নং অনুচ্ছেদ ( জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি) ও ৩য় ভাগের ২৭ নং অনুচ্ছেদ ( আইনের দৃষ্টিতে সমতা)।মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হলে হাই কোর্টে মামলা ৪৪ নং অনুচ্ছেদ বলে।এসডিজি বাস্তবায়ন করতে ও ডিজিটাল বাংলার পূর্নতা পেতে, সুষম উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হাতিয়াকে জেলা করার কোন বিকল্প পথ আছে বলে মনে হয়না।স্বাধীনতার ৪৮ বৎসর পরও যদি আমরা সাংবিধানিক অধিকারের জন্য লডাই করতে হয়, তখন বলতে হয় আমরাই সবচেয়ে অভাগা জনপদ,তাই বলতে ইচ্ছে করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা হাতিয়াবাসীও ডিজিটাল বাংলার সুফল পেতে চাই কেননা তা এখন স্বপ্ন নয় বাস্তবতা,আমরা চাই সে বাস্তবতার অংশীদার হতে।
(ঘ) পৌরসভা থাকলে নূন্যতম ৭টি ইউনিয়ন আর পৌর সভা না থাকলে ৮ টি ইউনিয়ন হইতে হবে। ৪(গ) নতুন উপজেলার জনসংখ্যা ২-২.৫ লক্ষ হতে হবে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পৌরসভার লোকসহ । ও (ঙ) আয়তন ন্যূনতম ৩০০ ব.কি.মি. হতে হবে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা : উইকোপিডিয়া ও বাংলাপিডিয়ার তথ্যানুযায়ী হাতিয়া ও নোয়াখালীর আয়তন যথাক্রমে ২১০০ ব. কি.মি. ও ৪২০০ ব. কি.মি. কিন্তু বর্তমানে হাতিয়ার চারপাশে নতুন (১৯/ ২১টি/ ২৫টি/২৯টি/৫০) চরাঞ্চল জেগে উঠায় নোয়াখালী ও হাতিয়ার আয়তন বেসরকারীভাবে ধরা হচ্ছে ৫১১০/ ৪২০০ ব.কি.মি ও ৭০০০ ব.কি.মি.। সে হিসেবে হাতিয়ার চেয়ে বড় জেলা আছে মোট তিনটি (চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাট) যদিও হাতিয়া এখনও উপজেলা। হাতিয়ার আয়তন বিশ্বের ১৪ দেশ হতে বড় আর সরকারি হিসেবে সিঙ্গাপুর হতে ৩ গুন এবং বেসরকারি হিসেবে ৬ গুন বড়।প্রস্তাবিত ভৈরব এর আয়তন ১২১.৭৩ বর্গ কিমি এবং জনসংখ্যা ২ লক্ষ ৮১ হাজার। দেশের সবচেয়ে ছোট তিনটি জেলা হল যথাক্রমে মেহেরপুর (৭১৬ব.কি.মি.) এতে রয়েছে তিনটি উপজেলা; ঝালকাটিতে (৭৩৫ব.কি.মি.) রয়েছে ৪ টি উপজেলা ও ঢাকাতে রয়েছে (৬৮৩ব.কি.মি.) ৬টি উপজেলা। হাতিয়ার পার্শ্ববর্তী দুটো জেলা লক্ষ্মীপুর (১৩৬৭ ব.কি.মি.) এতে ৫ টি উপজেলা ও ফেনী (৯২৮ব.কি.মি.) এতে ৬ টি উপজেলা রয়েছে তার মধ্যে পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলার আয়তন যথাক্রমে ৯৯ ব.কি.মি. ও ৯৮ ব.কি.মি.। হাতিয়ার আয়তন তিন/ চারটি জেলার আয়তনের সমান, মোট লোক সংখ্যা ৭ লক্ষ অর্থাৎ প্রতি জেলাতে গড়ে লোক সংখ্যা হবে প্রায় দুই লক্ষ করে, নিকারের শর্তানুসারে আয়তন ও জনসংখ্যা মিট করে, এতে ৩/৪ টি জেলা করার যোগ্যতা পাবে। কিন্তু একটি জেলা করে ৩/ ৪ উপজেলা করা যায় সহজে, এতে করে প্রতি উপজেলার আয়তন হবে প্রায় ১২০০ ব.কি.মি.ও লোক সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ করে।
(চ)পার্বত্য এলাকা, দ্বীপ এলাকা, সমুদ্র উপকূলীয় চর এলাকা, নিম্নাঞ্চল বা হাওর ও বনাঞ্চল এলাকার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও যোগাযোগ ব্যবস্হা অন্যান্য এলাকা হতে ভিন্নতর বিধায় উপরে বর্নিত জনসংখ্যা, আয়তন ও ইউনিয়নের সংখ্যা সংক্রান্ত শর্ত এই সকল এলাকার ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত সংখ্যায় ও পরিমানে শিথিলযোগ্য হিসেবে গন্য করা হবে।এ সকল এলাকায় নতুন উপজেলা স্হাপনের ক্ষেত্রে সরকারের নীতি বাস্তবায়ন, স্হানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সুষমভাবে পরিচালনা ও প্রশাসন ব্যবস্হা সুদৃঢ় রাখার লক্ষ্যে মুলত সংশ্লিষ্ট এলাকার অভ্যন্তরীন উন্নয়ন ব্যবস্হা প্রাকৃতিক বাঁধা, জেলা সদর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্হান হতে দুরত্ব ও যোগাযোগের সুবিধাদি এবং জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা : ডায়নামিক প্রশাসন গড়ে তুলতে, সুষম উন্নয়ন করতে, যোগাযোগ ব্যবস্হার ব্যাপক উন্নয়ন করতে, সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে,রাজনৈতিক অস্হিরতা দূর করতে , পরিবেশ সংরক্ষণ মানবাধিকার সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতি সংরক্ষণ করতে, সরকারে নীতি বাস্তবায়ন যেমন ভিশন ২০২১, ভিশন ২০৪১ ও এসডিজির শর্ত পূরন করতে , প্রাকৃতিক বাঁধা তথা উত্তাল মেঘনা পাড়ি না দিয়ে প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনা করতে হাতিয়াকে জেলা করা জরুরী।তাই হাতিয়া কে জেলা ঘোষণা করে তিনটি উপজেলা করার প্রস্তাবনা রাখা যায়, যেহেতু এই উপজেলাটি সরকার স্বীকৃত দূর্গম এলাকা।এটি পর্যটেনর অপার সম্ভাবনাময় অঞ্চল যা কিনা নদী সাগর বেষ্টিত।যেখানে নিঝুমদ্বীপ আছে,আছে চিত্রল হরিন, বনের সৌন্দর্য, নদী ও সাগরের গর্জন এবং ভার্জিন সী বীচ।

প্রস্তাবিত উপজেলা করা যেতে পারে হরনী (২৫ ব.কি.মি.) ইউনিয়ন ও পাঁচটি বৃহৎ চরের(নলের চর, কেয়ারিং চর, চর নঙ্গলিয়া ও পাতার চর) সমন্বয়ে গঠিত চানন্দী (১৩০ ব.কি.মি.) ইউনিয়ন নিয়ে একটি উপজেলা ।উপজেলার নাম দেওয়া যেতে পারে কালাম সাহেব উপজেলা। যদিও চানন্দী ইনিয়ন ৬টি ইউপির সমান।এর সাথে আরো অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে কেয়ারিং চরের পূর্বে অবস্হিত ভাষান চর (৩০ব.কি.মি.), স্বর্নদ্বীপ (১৩০০ একর) ও জালিয়ার চর। বয়ার চরের দক্ষিন পশ্চিমে অবস্হিত গাসিয়ার চর। যেটি আদি হাতিয়ার সাথে ছিল, বর্তমানে এতে প্রায় ১০,০০০ লোকের বসতি আছে।
সুখচর, নলচিরা, চর ঈশ্বর, চর কিং ও তমরুদ্দী এর পশ্চিমে অবস্হিত বদনার চর, মৌলভির চর, ঢাল চর ও পূর্বের চর গুলো নিয়ে হাতিয়া সদর নামে অন্য একটি উপজেলা।
সোনাদিয়া, বুড়ির চর, জাহাজমার ও নিঝুমদ্বীপ নিয়ে সর্বশেষ জাহাজমারা উপজেলা।বুড়ির চরের পূর্বে কালির চর, জাহাজমারা দক্ষিনের চরগুলো,নিঝুমদ্বীপের পশ্চিমে কমলার চর,ঝাগলার চর, উত্তরে কালাম চর ,পূর্বে দমার চর এবং নিঝুমদ্বীপ চ্যানেল পার হলে দক্ষিনে ৮০ কিমি পর্যন্ত প্রায় ২০ টির মত ডুবো চর (যার পানির গভীরতা কোথায়ও ৩-৪ ফুট আর কোথায়ও ৫-৬ ফুট) কে এর সাথে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে তার সাথে দক্ষিনে বঙ্গোপসাগরতো আছেই।

২. শুধু নীতিমালা পূরণ করলে হবেনা বরং সমগ্র এলাকার বাস্তব চাহিদা, প্রকৃত প্রয়োজন আর্থিক সংশ্লেষ ও সংস্হান এবং আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে।
বিস্তারিত ব্যাখ্যা :১৯৯৪ সালে মুসফিক কমিটি কর্তৃক মন্ত্রী পরিষদের নিকট সুপারিশে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ফেনী ও হাতিয়াকে জেলা ঘোষনা করে ‘নোয়াখালী বিভাগ’ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছিল যা দীর্ঘ দিনে ধরে এ অঞ্চলের মানুষের প্রানের দাবি। হাতিয়াকে জেলা ঘোষনা ঘোষণার দাবিতে দাবি। হাতিয়াবাসী গত ১০ বৎসর ধরে সামাজিক আন্দোলন গণকর্মসূচী পালন করেছে। নোয়াখালীর দক্ষিণাঞ্চলে ক্রমশঃ জেগে উঠছে বিশাল ভূখন্ড যার আয়তন নোয়াখালীর বর্তমান আয়তনের চেয়ে অনেক বেশি। সম্প্রতি জেগে উঠা দ্বীপ ও চরসমূহ মিলে এর বর্তমান আয়তন প্রায় ২০,০০০ বর্গ কিঃ মিঃ। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সেনানিবাস হচ্ছে নোয়াখালী জেলার দক্ষিণ অঞ্চলে মেঘনা নদীর কুল ঘিরে হাতিয়া উপজেলার সানন্দি ইউনিয়নের কেরিং চর ও নলের চরে। অদূর ভবিষ্যতে নোয়াখালীর দক্ষিণ অঞ্চল মেঘনা নদীতে দেশের অন্যতম অভ্যন্তরীন নৌ বন্দর এবং বঙ্গপোসাগরে আন্তর্জাতিক বহিঃনোঙ্গর (সমুদ্র বন্দর) স্থাপনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। হাতিয়ার দক্ষিনে জেগে উঠেছে বিশাল চর,যার নাম ডুবো চর,চরটির আয়তন পুরো দেশের আয়তনের চেয়ে বেশি৷যদি হাতিয়া কে জেলা না করে তাহলে এ অঞ্চলের চর শাসন, নদী শাসন, জীবন মান উন্নয়ন কিছুই সম্ভব হবে না৷