বিজে২৪ডটকম:

নোয়াখালীর সেনবাগের হতদরিদ্র বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েকে ১০ জনের জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনায় সেনবাগ সহ সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করলেও বাকি ৭জনকে অভিযোগ পাওয়ার ৬ দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি সেনবাগ থানা পুলিশ।

এদিকে উক্ত গণধর্ষণের মামলা ও পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফিরোজ আলম রিগান।

আজসকালে বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী ধর্ষিতার মায়ের সাথে দেখা করার জন্য তাদের বাড়ীতে যান মানবিক এই ছাত্রনেতা।এসময় ধর্ষিতার পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়ে অনেকটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন  ফিরোজ আলম রিগান, তিনি বলেন, এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে আইনজীবী এডভোকেট শাহজাহান সাজুর সাথে কথা বলেছি, তিনি বলেছেন এই মামলার জন্য তিনি লড়বেন, এবং এই পরিবারের আর্থিক অবস্থা এতোটাই খারাপ যা বলার অপেক্ষা রাখেনা। আমি কথা দিচ্ছি এই মামলার যাবতীয় ব্যয় এবং এই পরিবারের দায়িত্বআজ থেকে আমিই নিলাম।

 উল্লখ্য, গত ৬ জুন সকাল ৯.৩০ মিনিটে সেনবাগের উত্তর মানিকপুর গ্রামে এই প্রতিবন্ধী মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন ১০ জন যুবক। ঘটনার ৫ দিন পর সেনবাগ থানা পুলিশ তৎপর হয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করেন। বাকি ৭ জন এখনো অধরাই রয়ে গেলো।

ফিরোজ আলম রিগান শুধু একজন জনপ্রিয় ছাত্রনেতাই নয়,তিনি স্বাধীনতা স্বপক্ষের মুলধারার একজন সংবাদকর্মী ও একজন মানবাধিকার কর্মী ও মানবকল্যান ফাউন্ডেশন নামে নোয়াখালীর খুব জনপ্রিয় একটি সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিও তিনি। ইতোমধ্যে তিনি তার উপজেলায় করোনায় মৃত লাশ দাফন সহ করোনা সচেতনতায় তার সংগঠনের যোদ্ধাদের নিয়েও কাজ করে যাচ্ছেন ক্লান্তিহীন ভাবে।

বিজ্ঞাপন অংশ

নোয়াখালী,লক্ষ্মীপুর,ফেনী জেলার সমন্বয়ে গঠিত একটি অরাজনৈতি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।