ভারতে করোনা সংক্রমণের গতি কোনভাবেই আটকানো যাচ্ছে না। এবার দেশটিতে একদিনেই আক্রান্ত হয়েছে প্রায় এক লাখের কাছাকাছি মানুষ। অপরদিকে ২৪ ঘণ্টায় এক হাজারের বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরও ৯৫ হাজার ৭৩৫ জন। এছাড়া একদিনেই করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ১৭২ জনের। এখন পর্যন্ত একদিনে দেশটিতে এটাই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর রেকর্ড।

ভারতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪ লাখ ৬৫ হাজার ৮৬৩। অপরদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৭৫ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছে ৭২ হাজার ৯৩৯ জন। ফলে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থতার সংখ্যা ৩৪ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৩। অর্থাৎ ৭৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। দেশটিতে বর্তমানে করোনার অ্যাক্টিভ কেস প্রায় ৯ লাখ ১৯ হাজার।

এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। চলতি মাসে দেশটিতে সংক্রমণ ও মৃত্যু আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছেই।

ভারতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ হাজার ৫৭৭। অপরদিকে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ৩৮০ জন।

সংক্রমণে মহারাষ্ট্রের পরেই রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ু। গত ২৪ ঘণ্টায় অন্ধ্রপ্রদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ৪১৮, কর্নাটকে ৯ হাজার ৫৪০, উত্তরপ্রদেশে ৬ হাজার ৫৬৮ এবং তামিলনাড়ুতে ৫ হাজার ৫৮৪।

এখন পর্যন্ত ভারতে ৫ কোটি ২৯ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৩ জনের দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ লাখের বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

এদিকে ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণে নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজধানী দিল্লি। জুলাই ও আগস্টে সেখানে দৈনিক সংক্রমণ কমে এক হাজারের ঘরে নেমেছিল। গত কয়েকদিন ধরেই তা আবার বাড়তে শুরু করেছে।

২৪ ঘণ্টায় সেখানে নতুন সংক্রমণ ৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। যা রাজধানী দিল্লিতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দৈনিক সংক্রমণ।

সংক্রমণে শীর্ষে থাকা মহারাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৯ লাখ ৬৭ হাজার। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অন্ধ্রপ্রদেশে মোট আক্রান্ত পাঁচ লাখ ২৭ হাজার, তামিলনাড়ুতে চার লাখ ৮০ হাজার, কর্নাটকে মোট চার লাখ ২১ হাজার, উত্তরপ্রদেশে ২ লাখ ৮৫ হাজার এবং দিল্লিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

অপরদিকে, পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ, বিহারে ১ লাখ ৫২ হাজার, তেলঙ্গানায় ১ লাখ ৫০ হাজার, আসামে ১ লাখ ৩৫ হাজার, ওড়িশাতে মোট আক্রান্ত ১ লাখ ৩৩ হাজার এবং গুজরাটে ১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।