মহানবী (সাঃ) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের  প্রতিবাদে উত্তাল নোয়াখালী।

বিশেষ প্রতিনিধি : ফ্রান্সে মহানবী (সাঃ) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলাম নিয়ে কটূক্তিকারী দুই ছাত্রের স্থায়ী বহিষ্কার ও বিচারের দাবীতে নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১ নভেম্বর (রবিবার) নোয়াখালী জেলা প্লেসক্লাবের সামনে “নোয়াখালী জেলা আপামর জনতার ” ব্যানারে বিকাল ৪ টায় এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

মানববন্ধনে নিরাপদ নোয়াখালী চাই এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাইফুর রহমান রাসেল বলেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো এবং সেখানকার পত্রিকা শার্লী এবদো আমাদের বিশ্বনবী (সাঃ) ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর কলিজায় কুঠারাঘাত আঘাত করেছে।

তাই এই জালিমকে বিশ্ববিচারকের কাঠগড়ায় দাড় করিয়ে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি একমাত্র মৃত্যদন্ড দেয়া হোক এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা বিল পাসসহ  রাষ্ট্রীয়ভাবে ফ্রান্সের সকল পণ্য নিষিদ্ধ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহ হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অন্যথায়, নোয়াখালীর আপামর জনতা এর বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে।

অন্যদিকে মানববন্ধনে ওসমান গণি রুবেল বলেন, ” ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দুই ছাত্র প্রতিক মজুমদার ও দীপ্ত পাল ইসলাম ধর্মকে নিয়ে কটূক্তি করে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করার অপ্চেষ্টা করেছে। অবিলম্বে প্রতিক মজুমদার ও দীপ্তপালকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে ।

এছাড়াও মানববন্ধনে বক্তারা , ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয়ভাবে মহানবী ( সাঃ) এর ব্যাঙ্গচিত্র প্রদর্শনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। পাশাপাশি দেশবাসীকে ফ্রান্সের পণ্য বর্জনের আহ্বান করেন।।

মানববন্ধন শেষে ফ্রান্স সরকারের এমন হীন মনমানসিকতা এবং ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তিকারী দুই ছাত্রের স্থায়ী বহিষ্কার ও বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি প্লেসক্লাবের সামনে থেকে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের অভিমুখে যাত্রাপথে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে এসে বিক্ষোভ মিছিলের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।