ভায়াগ্রা নামক ড্রাগ বোমা আটকে দেয়ায় কাস্টমস কমিশনার বেলাল চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপ্রপ্রচার: প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দেশবাসী।

 

বিজে২৪নিউজ:

 

পৃথিবীর এই পান্থশালায় প্রতিটি মহান মানুষই বেঁচে থাকে তার স্বীয় কর্মে। একটি সমাজ, দেশ কিংবা রাষ্ট্র যখন অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়, তখন স্বয়ং বিধাতা নিজ হাতে সেই সমাজের আশীর্বাদ স্বরুপ কিছু মহান মানুষ-কে আলোর দিশারী স্বরুপ প্রেরণ করেন অন্ধকার থেকে আলোকে টেনে বের করে আনতে । লোভ, লালসা, মোহ কিংবা ব্যক্তি স্বার্থ এই মহান মানুষ গুলোকে কখনই ছুঁতে পারেনা। এদের জম্মই যেন আজম্ম এক মহাকাব্য। জীবনের প্রতিটি চ্যালেন্জিং মুহুর্তেও এরা নিজেদের বিলিয়ে দেন দেশ ও মানবতার কল্যানে।

 

কিন্তু কখনো কখনো কিছু দুষ্টচক্র এই সৎ মানুষ গুলোকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালায়, কিন্তু তারা জানেনা, সততা কখনো হারেনা , হারতে পারেনা উদাহরণ স্বরুপ মনজুর শাহরিয়ার এর কথা বলা যায়,

কিছুদিন আগে আড়ং এর অনৈতিক কর্মের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে অদৃশ্য শক্তি রোষানলে পড়েন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক নোয়াখালীর সন্তান মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।

 

এ ম্যাজিস্ট্রেটের সৎ এবং একনিষ্ঠতার প্রতি লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্র এবং সরকার প্রধানের। যার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বিদেশে অবস্থান করলেও অদৃশ্য শক্তিরা মনজুর শাহরিয়ারের কোন ক্ষতি করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তাৎক্ষণিক ভাবে মনজুর শাহরিয়ার বদলির আদেশ বাতিল হয়ে যায়।

 

তেমনি এক মানবতা প্রেমী দেশপ্রেমিক বেলাল হোসাইন চৌধুরী- যিনি সম্প্রতি দেশ ও জাতির পক্ষে কাজ করতে গিয়ে বেনাপোল সীমান্তে সাড়ে বারো হাজার কেজি ভায়াগ্রা নামক মহা-বিধ্বংসী ড্রাগ বোমা আটক দিয়ে হয়েছেন দেশবিরোধী চক্রান্তকারীদের শিকার, পড়েছেন তথ্য সন্ত্রাসীর রোষানলে।

 

ভায়াগ্রা সম্রাট, কালোবাজারী ও দেশ বিরোধী ড্রাগ সন্ত্রাসীরা ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন ও বিশ্বব্যাংক অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত চৌকস কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরীর নামে তাদের মদদপুষ্ট ও নিয়ন্ত্রনাধীন বিভিন্ন নামে বেনামে গড়ে ওঠা অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় মিথ্যে সংবাদ প্রচার করে ওনাকে বিভ্রান্ত ও দিকভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

 

স্বাধীনতা বিরোধী নামী বেনামী এই পত্রিকা গুলোর উপর এই অসাধু চক্রের এতটাই নিয়ন্ত্রন যে, প্রকাশিত সংবাদে তারা কমিশনারের জন্মস্থানই পাল্টে দিয়েছে, ওনার প্রকৃত জম্মস্থান হলো বেগমগঞ্জের শরীফপুরে কিন্তু সংবাদে লিখা আছে নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে। শুধু তাই নয় হাস্যকর হলেও সত্যি তথাকতিথ এই পত্রিকায় আলৌকিক ভাবে ওনার একটি মেয়ে সন্তানও সৃষ্টি করা হয়েছে, সংবাদে বলা হয়েছে চৌধুরী সাহেবের ছেলে মেয়েরা নাকি কানাডায় তাদের বাবার ক্রয় করা বাসায় থেকেই লিখাপড়া করছে যা সম্পূর্ণ মিথ্যে। তার দুই ছেলে ঢাকার স্কুলে পড়ছেন। বড় ছেলে সানিডেল স্কুলের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র এবং ছোট ছেলে মোহাম্মদপুরের সামারফিল্ড স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র এবং তার কোন মেয়েই নেই।

 

অন্যদিকে, প্রকাশিত সংবাদে বেলাল চৌধুরীকে দূনীতিবাজ আখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে দূর্নিতীর টাকায় তিনি নামে বেনামে শতকোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়েছেন যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও  উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে করা হয়েছে বেলাল চৌধুরীকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য। বিবিসি জার্নাল টোয়েন্টিফোর ডটকম এর একটি বিশেষ টিম সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখেছে উনার গ্রামের বাড়ী নোয়াখালীতে ৫০বিঘা জমি তো দূরের কথা ছোট্র একটি ঘরভিটে ছাড়া একটি ঘরও নেই সেখানে।

 

প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে বেলাল চৌধুরী একাধিক ফ্ল্যাটের মালিক। কিন্তু অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে বেলাল চৌধুরী যে ফ্ল্যাটে থাকেন তা তার স্ত্রীর নামে আইসিবি ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ক্রয় করা। এই লোনটি এখনো বিদ্যমান। আরো জানা গেছে, বেলাল চৌধুরীর কোন ভাই-ই গার্মেন্টস ব্যবসায় জড়িত নয়।

 

৮ আগস্ট প্রথম আলোসহ দেশের বিভিন্ন দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা ঘোষণায় বেনাপোল দিয়ে ভায়াগ্রা আমদানী ১২কোটি টাকা মূল্যের ভায়াগ্রা চালান আটক এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ আটকের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিশ্বব্যাংক অ্যাওিয়ার্ড  প্রাপ্ত  কামস্টস কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী। এশিয়ার সর্ববৃহৎ ভায়াগ্রা চালান আটকের পর সরকার প্রশাসনের তোলপাড় শুরু হয়। শুরু হয় আন্তঃদেশীয় তদবীর।

 

শক্তি প্রদর্শন। উচ্চ-নিম্ন চাপ, প্রভাব বিস্তার, পেশী প্রদর্শন ,কোটি কোটি টাকার লোভ লালসা কোন কিছুর কাছেই হার মানেননি এই চৌকস কমিশনার। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে না ফেলে দেশ ও মাতৃকার টানে বেলাল চৌধুরী ভায়াগ্রা গডফাদারদের এতটুকু  ছাড় দেননি।

 

এই বিষয়ে কথা হয় বেলাল হোসাইন চৌধুরীর সাথে, চৌকস এই অফিসার বিবিসি জার্নাল টোয়েন্টিফোর ডটকম সম্পাদক-কে বলেন, সত্যই সুন্দর, আর আমি সেই সত্য ও ন্যায়ের পূজারী, আমি আমার উপর অর্পিত দায়িত্বে অটল, অবিচল, দায়িত্ব পাওয়ার পর আমি আমার অফিসারদের কে সাথে নিয়ে বেনাপোল বন্দর কে ঢেলে সাজিয়েছি। ইতোমধ্যে বেনাপোল কাস্টমস বিশ্ব সেরার স্বীকৃতিও পেয়েছে-দেশ ও মানবতার কল্যাণে আমাদের এই জয় অপ্রতিরোধ্য।

 

তিনি আরও বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী , দেশ বিরোধী ও অসাধু মহল দেশের এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে উঠে পড়ে লেগেছে, আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদটিও সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এবং যে প্রতিবেদক সংবাদ টি তৈরী করেছেন তিনি নিজেও জানেন এটি সম্পূর্ণ মিথ্যে যার তিল পরিমান সত্যতা নাই।

 

প্রকাশিত সংবাদে দুদকের তদন্ত প্রসঙ্গে বেলাল হোসাইন চৌধুরী বলেন,  আমার বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগ নতুন নয়। আমি গডফাদারদের ইচ্ছায় না চলার কারণে তারা বারবার আমাকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে।তিনি বলেন সংবাদপত্রে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ, দুদকের মিথ্যে অভিযোগ সবই সাজানো। স্বার্থান্বেষী মহলের অভিযোগ দীর্ঘ তদন্ত সাপেক্ষে দুদক তদন্ত করে সত্যতা না পেয়ে ২০০৯ সালে আমাকে সম্পদ বিবরণী জারি করে সকল সম্পদ যাচাই  করে বেনামী অভিযোগ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেছে। তখনও প্রমাণিত হয়েছে আমার আয় বর্হিভূত কোন সম্পদ নাই।

 

সবশেষে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, যতদিন বাঁচবো  দেশ মাতৃকার কল্যানে কাজ করে যাবো, কোন অদৃশ্য অশুভ শক্তি আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য থেকে আমাকে এতটুকু টলাতে পারবেনা-ইনশাআল্লাহ।

 

ভায়াগ্রা চালান আটকে আন্তরিক সহযোগিতার জন্য তিনি কাস্টম হাউসের সকল সহকর্মী বিশেষত এসি ও তদুর্ধ কর্মকর্তাগণ, সিএন্ডএফ এজেন্টস নেতৃবৃন্দ, বিজিবি, স্থলবন্দরসহ সকল অংশীজনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং সকল শুভাকাংখী, শুভানুধ্যায়ী ও বেনাপোলবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।