রোহিঙ্গাদের হাতে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র

 

বিজে২৪নিউজ:

 

মরিয়া হয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করছে রোহিঙ্গারা। তার চাইতেও ভয়ের বিষয় অসাধু কর্মকর্তাদের সহায়তায় জাল জন্মসনদ দিয়ে নথিপত্র ছাড়াই নির্বাচন কমিশনের সুরক্ষিত সার্ভারেও ইনপুট দেয়া হচ্ছে তাদের তথ্য। বিশিষ্টজনরা বলছেন এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি।

 

রোহিঙ্গাদের এসব অপতৎপরতা বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলছে পুলিশ।চট্টগ্রামে ভুয়া জন্মসনদ, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ সব ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত নথি সংগ্রহ করে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছে রোহিঙ্গারা। গেল ৫ মাসে এরকম অন্তত ৮০ জন রোহিঙ্গা ধরাও পড়েছে। শুধু তাই নয়, নথিপত্র ছাড়াই নির্বাচন কমিশনের সুরক্ষিত সার্ভারেও ইনপুট দেয়া হচ্ছে তাদের তথ্য।

 

যাতে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সহায়তা দিচ্ছে একটি অসাধুচক্র।সম্প্রতি টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নুর মোহাম্মদের কাছে পাওয়া যায় স্মার্টকার্ড। ২০১৭ সালে চট্টগ্রামের হিলভিউ আবাসিক এলাকার বার্মা কলোনির ভুয়া ঠিকানায় বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছিল সে। এর আগে হাটহাজারী উপজেলার ঠিকানায় রমজান বিবি নামে এক রোহিঙ্গা নারী লাকী নাম দিয়ে ভুয়া ঠিকানায় বানানো স্মার্টকার্ডের কোড নম্বর নির্বাচন কমিশনের সার্ভারের সাথে মিল ছিল।

 

এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে পাসপোর্টসহ আটক করা হয় তিন রোহিঙ্গাকে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচন কমিশনের সুরক্ষিত সার্ভারের ইনপুট দেয়া হয়েছে এমন ৪৬ জনের সন্ধানও পাওয়া গেছে।চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মো. মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বিবিসি জার্নাল অনলাইনকে বলেন, তুরস্ক যাওয়ার পথে আটক রোহিঙ্গাদের তথ্যমতে, এ প্রক্রিয়ার সাথে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারাও জড়িত।এসব কাজে যেসব কর্মকর্তারা রোহিঙ্গাদের সাহায্য করছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।

 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপকমিশনার বিজয় বসাক বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা ও ভুয়া তথ্য ব্যবহারকারীদের পাসপোর্ট নেওয়া ঠেকাতে সিএমপির বিশেষ শাখা থেকে ১৮টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট ও এনআইডি পেতে সহযোগিতাকারী চক্রটি শিগগিরই আইনের আওতায় আসবে।পি