বেগমগঞ্জের একলাশপুরে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এক গরীব শিক্ষকের স্বপ্ন।

বিজে২৪ডটকম নিউজ:

পল্লী বিদ্রুতের অপরিকল্পিত ট্রান্সমিটারের যত্রতত্র ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট শর্ট সার্কিট থেকে আগুন ধরে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে একটি পরিবার ও একজন দরিদ্র শিক্ষকের ৩৬বছর ধরে তিলে তিলে গড়া শেষ আশ্রয়স্থল থাকার ঘরটি ও আসবাবাপত্র


ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নে যেখানে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এ অগ্নিকান্ডে তিনটি ঘর পুড়ে অন্তত ১০লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী ক্ষতিগস্থদের।


সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে একলাশপুর ৫নং ওয়ার্ডের মুকবুল আহমদের বাড়ীতে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।


মুকবুল আহমদের ভাই মহিন উদ্দিন বিবিসি জার্নাল টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মুকবুল আহামেদের বসত ঘরের উপর দিয়ে পল্লী বিদ্যুতের একটি তার গিয়ে ট্রান্সফরমারের সাথে যুক্ত হয়েছে। সকালে ওই তারটি ঘরের উপরের অংশের সাথে লেগে শর্টসার্কিট হয়ে আগুন ধরে যায়। মুহুর্ত্বের মধ্যে আগুন পাশের আরও দুইটি ঘরে ছড়িয়ে পড়লে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

তারা বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসে অবগত করলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু এর আগে মকবুল আহামদের তিনটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ঘরগুলোতে থাকা জমি বিক্রির নগদ ৫লাখ টাকা, স্বর্ণ, ফ্রিজসহ মুল্যবান মালামাল পুড়ে প্রায় ১০লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।


চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার রেজাউল করিম জানান, খবর পেয়ে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। বৈদ্যুতিক তার থেকে শর্টসার্কিট হয়ে এ আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানা গেছে।

অপরদিকে, গ্রামবাসী অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে জানান, বিদ্যুতের তারের এহেন ব্যবহারের ফলে শেষ হয়ে গেল একটি পরিবার,তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন,অনতিবিলম্বে শিক্ষক মুকবুল আহামেদের পরিবারের ক্ষয়ক্ষতি পুরনে কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে আমরা পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে রাস্তায় দাড়াবো, মানববন্ধন করবো।