সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল

বিজে২৪নিউজ:

টাস্কফোর্স অভিযানের নামে মধ্যরাতে ঘরের দরজা ভেঙ্গে মারধর করে ঢাকা ট্রিবিউন ও বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগ্যানকে তুলে নিয়ে গিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে একবছরের জেল দেয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন নোয়াখালীতে কর্মরত সাংবাদিকরা। 

মানববন্ধন কর্মসূচীতে  বিভিন্ন সাংবাদিকদের উপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসককে অপসারণের দাবি জানানো হয়।  

আজ রোববার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। 

পরে, বিক্ষোভ মিছিলটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মিলিত হয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি বখতিয়ার সিকদার, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি (বাসাস) কেন্দ্রীয় মহাসচিব মনিরুজ্জামান চৌধুরী, মানবজমিনের স্টাফ রিপোর্টার নাসির উদ্দিন বাদল, ইনডিপেনডেন্ট টিভির আবু নাসের মঞ্জু , বাংলাদেশ প্রতিদিনের আকবর হোসেন সোহাগ, সমকালের আনোয়ারুল হায়দার, প্রথম আলোর মাহবুবুর রহমান, সচিত্র নোয়াখালীর সম্পাদক আমিরুল ইসলাম হারুন, বিবিসি জার্নাল টুয়েন্টিফোর ডটকম সম্পাদক ও বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক সাইফুর রহমান রাসেল,

যমুনা টিভি প্রতিনিধি মোতাসিম বিল্লাহ সবুজ,চ্যানেল আইয়ের আলাউদ্দিন শিবলু,৭১টিভির মিজানুর রহমান,এশিয়ান টিভির মানিক ভূইয়া, চ্যানেল নাইনের জাহান, দেশটিভির মাহবুবুর রহমান, ইউনুস শিকদার প্রমূখ । 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রটের নেতৃত্বে সাংবাদিক আরিফুলের বাসায় গিয়ে দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে স্ত্রী-সন্তানের সামনে মারধর করা হয়। এমনকি তার হাতে মদের বোতল ও গাঁজা রাখার অভিযোগ তুলে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

সাংবাদিকরা বলেন, ‘এ ঘটনা সারাদেশের সাংবাদিকদের জন্য একটি অশনিসংকেত। এই ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত প্রশাসনের সেই কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি সরকারি ক্ষমতা অপব্যবহারের দায়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীনের অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’

দেখুন ভিডিও চিত্রটি

এছাড়া, মানববন্ধনে দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, রিপোর্টার আল আমিন ও অন্য ৩০ জনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে করা মামলা প্রত্যাহার এবং ফটো সাংবাদিক ও পক্ষকাল ম্যাগাজিনের সম্পাদক শফিকুল ইসলাম কাজল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে, তাকে খুঁজে বের করতে জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার জোর দাবি জানানো হয়।