বিজে২৪নিউজ:আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসার পরে পুলিশের তৎপরতায় মুহুর্তের মধ্যে জনশূন্য হয়েছে নোয়াখালীর জনবহুল প্রধান বানিজ্যিক কেন্দ্র চৌমুহনী।

বুধবার সন্ধ্যায় জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেনের নির্দেশে জেলা পুলিশের সহযোগিতায় চৌমুহনী বাজারে অভিযান চালায় বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ।

জানা গেছে, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের নির্দেশনার আলোকে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন থেকে জেলাবাসীর জন্য একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় সকল ধরনের সভা-সমাবেশ, সেমিনার, সামাজিক অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, হোটেল, রেস্টুরেন্টে গনজমায়েত, বাজারে জনসমাগম, আড্ডা নিষিদ্ধ করা হয়। এসব নির্দেশনা সফল করতে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে বুধবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্নস্থানে পুলিশের তৎপরতা দেখা গেছে।

এর অংশ হিসেবে জেলার প্রধান বানিজ্য কেন্দ্র চৌমুহনীতে হাজার লোকজন এর ভিড় দেখে এই বিষয়টি তুলে আনেন নোয়াখালীর বৃহত্তর সামাজিক সংগঠন “নিরাপদ নোয়াখালী চাই”।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাইফুর রহমান রাসেল সংগঠনের ঘোষিত ১০দিনের করোনা সচেতনতা বিষয়ক ক্যাম্পেইন করতে গিয়ে বাণিজ্যিক শহর চৌমুহনীতে হাজার লোকের সমাগম দেখে একটি ফেইসবুক লাইভের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস ও পুলিশ সুপার আলমগীর হোসাইন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, তখন জেলা পুলিশ সুপারের নিদের্শে অভিযান চালিয়ে মুহুর্ত্বের মধ্যে পুরো চৌমুহনী বাজার জনশূন্য করে দেন বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। উল্যেখ্য গত সোমবার জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস ও জেলা পুলিশ সুপার আলমগীর হোসাইন স্বশরীরে উপস্থিত থেকে নিরাপদ নোয়াখালী চাই সংগঠনের ঘোষিত ১০দিনের করোনা সচেতনতামুলক ক্যাম্পের উদ্ভোধন করেন। করোনা ভাইরাস রোধে জনগনকে সর্তকর্তা মূলক নির্দেশনাও দেওয়া হয়।

জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানান, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কোন ব্যক্তিকে যেখানে সেখানে ঘুরতে দেওয়া হবে না। জনগনের বৃহত্তর স্বার্থে পুলিশের তৎপরতা অব্যহত থাকবে। জেলার সকল জনগনকে সরকারি নির্দেশনার প্রতি সম্মান রেখে আইন মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।