অসহায় চা দোকানদার শহীদকে বাঁচাতে মানবিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।

বিজে২৪ডটকম:

নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত  বেগমগঞ্জ উপজেলার ১৫ নং শরীফপুর ইউনিয়নের দঃ শরীফপুর গ্রামের আবু তাহের মেম্বার বাড়ীর স্থায়ী বাসিন্দা চা দোকানদার মোঃ শহিদুর রহমান,বয়স ৪০, তিনটি ছেলে,এক মেয়ে ও স্ত্রীর সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি শহীদ নিজেই। স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোনোভাবে দুঃখে কষ্টে শহীদের সংসার চলে যাচ্ছিলো।

সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিলো কিন্তু হটাৎ বাধ সাধলো শহীদের গুরুতর অসুস্থ হয়ে যাওয়া। শুরু হলো প্রচন্ড পেটে ব্যাথা,নিয়ে যাওয়া হলো জেলা সদরের জীবন আলো হসপিটালে। অবস্থার উন্নতি না হওয়ার বিশেষজ্ঞের ব্যবস্থ্যাপত্র অনুযায়ী ধারদেনা করে নিয়ে যাওয়া হলো রাজধানীর পিজি হাসপাতালে। শহীদের  বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষার পর পিজি হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের চেয়ারম্যান জানালো শহীদের লিভার ক্যান্সার হয়েছে। বিশেষজ্ঞের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী শহীদকে কেমোথেরাপি দেওয়া বাধ্যতামুলক, যা শহীদের পরিবারের পক্ষে অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

অপরদিকে পাঠকদের অবগতির জন্য অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, শহিদ এর বড় ছেলে সাফায়েত হোসেন রাব্বি (১৭) শিশুকাল থেকেই খিচুনি রোগে আক্রান্ত এবং বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। মেজো ছেলে রায়হান হোসেন শিমুল (১৪) যক্ষা রোগে আক্রান্ত  এবং কানে শুনে না। ছোট ছেলে আঃ রহমান শান্ত (১০) বাবার চা দোকানে বাবাকে সাহায্য করতো।ছোট মেয়েটি স্থানীয়  লুৎফর নাহার মহিলা মাদ্রাসায় পড়ে।

শহীদের স্ত্রীর পৈতৃক বাড়ি থেকে উত্তরাধীকারী সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে শহীদের বাবার ঘরের পাশে একটি দুই রুমের টিনের ঘর করে  শহীদ তার স্ত্রী সন্তানাদি নিয়ে থাকেন।

এই বিষয়ে শহীদ কান্না জড়িত কণ্ঠে বিবিসি জার্নাল ২৪ ডটকমকে বলেন, আমি বাঁচতে চাই,আমাকে আপনারা বাঁচান,আমার স্ত্রী সন্তানকে দেখার কেউ নেই,আমি মরে গেলে আমার প্রতিবন্ধী ছেলেগুলো কার কাছে যাবে,ওরা তো না খেয়ে মরবে, তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,নোয়াখালী জেলা প্রশাসক, দেশের সামর্থবান ব্যক্তিবর্গ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং প্রবাসী ভাইদের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন।

অসুস্থ্য শহীদকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ

বিকাশ পার্সোনাল নাম্বার

01835-927334 (শহিদ এর নিজের)

সত্যতা যাচাইয়ে যোগাযোগ: নিরাপদ নোয়াখালী চাই সংগঠন।

মোবা: 01861-397806  (নিরাপদ নোয়াখালী চাই স্বেচ্ছাসেবী টিম আপনাকে নিয়ে যাবে তার বাড়িতে)