করোনার সংক্রামণ ঠেকাতে সকাল সন্ধ্যা সাংবাদিক রাসেলের অবিরাম ছুটে চলা

সবাই ঘরে থাকুন, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন, মুখে মাস্ক পরুন, নিজে বাঁচুন,রক্তের দামে কেনা প্রিয় জম্মভুমিকে বাঁচান”

ঠিক এভাবেই নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পায়ে হেঁটে গ্রামগঞ্জে,হাটে ঘাটে, পাড়ার প্রতিটি অলিতে গলিতে এমনকি বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে অসচেতন মানুষগুলোতে সচেতন  করে তুলতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবিরাম ছুটে চলেছেন মানবিক এই তরুন সাংবাদিক। দিনশেষে চোখে মুখে ক্লান্তির চাপ আর সঙ্গী শুধু একটি ছোট্ট হ্যান্ড মাইক।

অবিরাম সচেতনতার বুলিতে তারুণ্যদীপ্ত এই তরুন সাংবাদিক  দিনের শুরুটা করেন প্রিয় জেলার মানুষ গুলোকে করোনা নামক মহামারী থেকে বাঁচাতে।

করোনা মহামারীর শুরুর দিক থেকে দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায়ও এই মানবিক তরুণ নিজের প্রতিষ্ঠিত সংগঠন “নিরাপদ নোয়াখালী চাই” এর ব্যানারে কখনো বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে হোমকোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরন, আবার কখনো সচেতনতামুলক লিফলেট বিতরণ, মাস্ক বিতরন, মসজিদ সহ বিভিন্ন জনাকীর্ন্ স্থানে জীবানুমুক্ত চিটানো, পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ, করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের ঘরে ঘরে সংগঠনের নিজস্ব অর্থায়নে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া, বিভিন্ন মাদ্রাসায় পড়ুয়া এতিম শিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণসহ  বিভিন্ন মানবিক কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

এই বিষয়ে করোনা সচেতনতা যোদ্ধা রাসেল বলেন, ‘হয়তো আমার মত একজন মানুষের সর্বোচ্চ সাধ্যের সবটুকু দিয়েও রুখে দেওয়া যাবে না প্রাণঘাতী মহামারি করোনার সংক্রমণ । এক্ষেত্রে দরকার সবার সমন্বিত সচেতনতা, দায়িত্বশীল প্রচেষ্টা, সর্বাধিক সাবধানতা। তাহলেই  ইন-শা-আল্লাহ আমরা করোনামুক্ত বাংলাদেশের প্রত্যাশা করতেই পারি, খুব শিগগিরই করোনামুক্ত ভোরে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারবো সবার দায়িত্বশীল প্রচেষ্টাই এই আমার আত্মিক বিশ্বাস।’

অপরদিকে, নিজস্ব স্বকীয়তায় বরাবরের মতোই দুর্বার এই  করোনা সচেতনতা যোদ্ধা ইতোমধ্যে সমগ্র নোয়াখালীর তরুণ প্রজম্মের কাছে হয়ে উঠেছেন প্রিয় থেকেও বেশী প্রিয়। শুধু তাই নয়, তার ক্লান্তিহীন কর্মযজ্ঞ দিয়ে জেলার প্রতিটি মানুষের মাঝে আস্থা, ভরসা আর ভালোবাসার একটি জায়গাও তৈরি করে নিয়েছে ।করোনার মধ্যে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিম্নবিত্ত মানুষের সঙ্গেও তৈরি করেছেন ভালোবাসার এক মেলবন্ধন।