বিজে ২৪ নিউজ :

রাজধানীর ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনায় বেহাল অবস্থা। এক জায়গায় জেব্রা ক্রসিং থাকলেও অন্য জায়গায় নেই। নেই ফুটপাথের ধারাবাহিকতা, নেই পর্যাপ্ত বাসস্ট্যান্ড। রোড সাইন ও জেব্রা ক্রসিং মুছে গেছে অনেক স্থানে। আইন মানার জন্য নেই শাস্তির প্রয়োগ। তাই,  অনেকটা যেমন খুশি তেমন চলছে নগরবাসী ও পরিবহনগুলো।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সব কিছু শৃঙ্খলায় ফেরাতে দীর্ঘমেয়াদী কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। কিন্তু সচেতন নগরবাসীরা বলছেন, অজুহাত দিয়ে ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনায় বেহাল দশা আর কতদিন?রাজধানীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাত ফের দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীদেরও বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হচ্ছে। কোথাও পথচারী পারাপারের জায়গা বন্ধ করা হয়েছে যানবাহন চলাচলের অনিয়মকে রুখতে।

স্পিডব্রেকার থাকলেও, তার চিহ্ন নেই। তাই দুর্ঘটনাও ঘটছে হরহামেশা। পর্যাপ্ত বাসস্টপেজ না থাকায় যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠা-নামার সে পুরনো প্রতিযোগিতা এখনও চলছে। ফলে জীবনের চাকায় ছুটতে গিয়ে প্রচন্ড ঝুঁকিতে ফেলছেন নিজের ও পরিবারের জীবনকে।অনিয়ম বন্ধে, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে আবারও দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন বুয়েটের এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড.মিজানুর রহমান।

তিনি  বিবিসি জার্নাল টোয়েন্টিফোর কে বলেন, কোন নির্দিষ্ট স্টপেজ না থাকায় বাসগুলো যেখানে সেখানে যাত্রী উঠা নামা করে। ফুটপাতের শুরুতে লোহার রড দিয়ে খুটি দেয়া হয়েছে মোটরসাইকেল চলাচল ঠেকানোর জন্য। এর ফলে পথচারীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। একদিকে পথচারীদের সচেতন হতে হবে অন্যদিকে পথচারী বান্ধব যে ফুটপাত তা আমাদের তৈরি করে দিতে পারবে।

 

অগ্যানিক অটোজের সিইও এন্ড পার্টনার রাহাদুল ইসলাম ভুঁইয়া  বিবিসি জার্নাল টোয়েন্টিফোর অনলাইনকে বলেন, সরকারি নীতিমালা যেগুলো তৈরি হয়েছে তার বাস্তবতার অনেক অমিল রয়েছে।  সেফটি কনর্সানও জরিমানার তেমন ব্যবস্থাও রাখা হয়নি। এদিকে নজর দেয়া উচিত।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল আলম বিবিসি জার্নাল টোয়েন্টিফোর অনলাইনকে বলেন,

প্রায় পৌনে দুইকোটি শহরের মানুষকে শৃঙ্খলায় আনা সম্ভব নয়। ব্যবস্থাপনায় আনতে জনগণের সহায়তা অত্যন্ত জরুরী।ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ফুটপাত আমরা সাতমাস টানা দখলমুক্ত রেখেছিলাম। আমাদের চেষ্টার কোন কমতি নেই। ফুটপাত দখলমুক্ত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের একটু সময় লাগবে।ঢাকা উত্তরের প্যানেল মেয়র মো. জামাল মোস্তাফা আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ফুটপাতে কোনো মালামাল থাকলেই জরিমানা স্বীকার হবেন নগরবাসী।