ষাটের দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের চিকিৎসাশিক্ষায় স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পড়াশোনার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। চিকিৎসাশিক্ষায় স্নাতকোত্তর কোর্স প্রদান ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় শাহবাগ হোটেলের জায়গায় ইন্সটিটিউট অব পোস্ট গ্র্যাজুয়েট মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ (আইপিজিএমআর) প্রতিষ্ঠিত হয়।

স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণায় দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেও এ সংস্থার ডিগ্রি প্রদানের ক্ষমতা ছিল না। এটি ন্যস্ত হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর।

১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করলে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলামকে তৎকালীন আইপিজিএমআরের উন্নয়নের সার্বিক দায়িত্ব প্রদান করেন।

দেশে চিকিৎসাশিক্ষায় উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণা প্রবর্তন করে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসক তৈরিতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। এদেশের মানুষের রক্তের প্রয়োজনে নিরাপদ রক্ত সরবরাহ ও নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালনের জন্য বঙ্গবন্ধু তৎকালীন আইপিজিএমআরে প্রথম ব্লাড ব্যাংক স্থাপন করেন।

বঙ্গবন্ধু নিজ হাতে এ ব্লাড ব্যাংকের উদ্বোধন করেন; আজও তার হাতের ছোঁয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগে বিদ্যমান। বঙ্গবন্ধুই প্রথম এদেশের চিকিৎসকদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে তাদের চাকরি দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত করেছিলেন।

বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এদেশের ছাত্র-যুবক, শিক্ষক-চিকিৎসক, কৃষক-শ্রমিক-জনতাসহ সব পেশার মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল, স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট দেশি-বিদেশি চক্রান্তে তাকে হত্যার মাধ্যমে লক্ষ্যচ্যুত হয় বাংলাদেশ। আবার এদেশের মানুষের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয় অগণতান্ত্রিক সামরিক স্বৈরশাসন। স্বৈরতান্ত্রিক অপশাসনের ফলে প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়তে থাকে, স্বাস্থ্য খাত তার মধ্যে অন্যতম।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগে দেশে ১৩টি সরকারি ও ৫টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এবং নিপসমসহ ৫টি পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেশের চিকিৎসকশিক্ষা, গবেষণা ও সেবার মানোন্নয়নে যথেষ্ট ভূমিকা পালনে সক্ষম হচ্ছিল না।

বাংলাদেশের চিকিৎসাশিক্ষা, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকেই বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন দেশে একটি স্বতন্ত্র ও গবেষণাসমৃদ্ধ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং সব মেডিকেল কলেজের স্বায়ত্তশাসন দাবি করে আসছিল।

এখানে উল্লেখ্য, ’৬৯-এর ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের দেয়া ১১ দফার মধ্যেও চিকিৎসকদের দাবির কথা উল্লেখ ছিল। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মেডিকেল শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন ও আইপিজিএমআর শিক্ষক সমিতি একটি স্বতন্ত্র ও গবেষণাসমৃদ্ধ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছে।

প্রতিটি সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে পারায় নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের দীর্য় ২১ বছর পর বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্যকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পান। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর চিকিৎসকসমাজ এদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়নে তাদের সব প্রত্যাশা পূরণের ভরসাস্থলের সন্ধান পান।

সংবিধান স্বীকৃত জনগণের মৌলিক অধিকার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং দেশের চিকিৎসাশিক্ষা, গবেষণা ও সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৮ সালের ৩০ এপ্রিল তৎকালীন আইপিজিএমআরকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে’ উন্নীত করার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রথম স্বতন্ত্র পাবলিক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

তৎকালীন ভিসি অধ্যাপক এমএ কাদেরী স্যারকে আমি সে সময়ে প্রশাসনিক রেজিস্ট্রার হিসেবে কাজে সহায়তা করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশের চিকিৎসকসমাজের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি যেমন বাস্তবায়ন করেছেন, তেমনি এদেশের উচ্চতর চিকিৎসাশিক্ষা ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী অগ্রযাত্রার সূচনা করেন।

বাংলাদেশের প্রথম স্বতন্ত্র পাবলিক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য শেখ হাসিনার অবদান চিকিৎসকসমাজ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে চিরদিন স্মরণ করবে। এছাড়াও তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী মরহুম সালাহউদ্দীন ইউসুফ, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম আমানুল্লাহ ও স্বাস্থ্য সচিব মোহাম্মদ আলীর অবদান উল্লেখযোগ্য।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের জন্য তৎকালীন বিএমএ মহাসচিব ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, অধ্যাপক ডা. কাজী শহিদুল আলম, ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, ডা. কামরুল হাসান খান, ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, ডা. জাহিদ হোসেন (শিশু কার্ডিওলজি), প্রয়াত ডা. জাকারিয়া স্বপনসহ আরও অনেকের অবদানও চিকিৎসকসমাজ কৃতজ্ঞচিত্তে মনে রাখবে।

চিকিৎসকসমাজ তাদের আন্তর্জাতিক মান অর্জন করে দেশের জনসাধারণের সুচিকিৎসায় নিয়োজিত হবেন এ আকাক্সক্ষা নিয়ে যে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করেছিল, প্রতিষ্ঠার মাত্র তিন বছরের মাথায় ২০০১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর কেবল হীন রাজনৈতিক সংকীর্ণতায় বিশ্ববিদ্যালয়টি বন্ধ করে আবারও আইপিজিএমআর করার উদ্যোগ নেয় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার।

আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্দোলন করেছিলাম, তাদের বিরুদ্ধে নানাবিধ মামলা-হামলা করেছিল তৎকালীন সরকারের লেজুড়ভিত্তিক চিকিৎসক সংগঠন ড্যাব ও কর্মচারী গোষ্ঠী। এহেন ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দেশের সব পেশাজীবী এবং জনসাধারণ তীব্র ক্ষোভ ও আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

তীব্র আন্দোলনের ফলে বিএনপি-জামায়াত সরকার তাদের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। তবুও ক্ষোভের বশে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামফলক থেকে জাতির পিতার নাম মুছে ফেলে সংক্ষেপে বিএসএমএমইউ লিখে পরিচিতি দেয়া হয়। এমনকি তারা এ বিশ্ববিদ্যালয়টি ঢাকা থেকে গাজীপুর, টুঙ্গিপাড়া বা অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল।

এদেশের জনসাধারণের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আবারও ২০০৮ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে পরিণত করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের জন্য প্রধানমন্ত্রী বারডেমসংলগ্ন বেতার ভবনের জমি ও হাসপাতালের উত্তর পাশের ১২ বিঘা জমির স্থায়ী বন্দোবস্ত করে দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে ৫২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ সহায়তা ও দিকনির্দেশনায় খুব দ্রুত নতুন কেবিন ব্লক সম্প্রসারণ, অনকোলজি ভবন, নতুন টুইন টাওয়ার বহিঃবিভাগ, আধুনিক আইসিইউ, ওটি কমপ্লেক্স, মেডিকেল কনভেনশন সেন্টার নির্মাণ সম্ভব হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে দেশরত্ন শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা প্রদান, চাকরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কোটা প্রবর্তনসহ নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। এরই অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা সেল গঠন করা হয়েছে এবং মুক্তিযোদ্ধাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা, আলাদা কেবিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে রেসিডেন্সি প্রোগ্রামে চান্সপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর মাসিক সম্মানী দশ হাজার টাকা থেকে বিশ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভিসি অধ্যাপক ডা. এমএ কাদেরী স্যার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নিরলস পরিশ্রম করে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে আধুনিক ও উন্নত মানের করে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এমএ কাদেরী স্যারের আমলে যে রেসিডেন্সি কোর্স চালু হয়, তা ২০০১ সালে তৎকালীন প্রশাসন বাতিল করে দেয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমরা আবার এমডি, এমএস রেসিডেন্সি কোর্স চালু করি। দেশের সব চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম চালু হওয়ায় এখানে উচ্চতর সব ডিগ্রি প্রদান করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো বিষয়ে কতজন বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন, সে অনুসারে উচ্চশিক্ষার প্রসার দরকার। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়ে অনেকদূর অগ্রসর হয়েছে, বর্তমানে দেশের সব মেডিকেল কলেজসহ সব পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসাশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করে দেশের সব উচ্চতর চিকিৎসাশিক্ষা ডিগ্রি ও কোর্সগুলোকে একই মানে উন্নীত করা হয়েছে। ফলে দেশের উচ্চতর চিকিৎসাশিক্ষার ব্যাপক উন্নয়ন ও প্রসার ঘটেছে। একইসঙ্গে সেবার মান বেড়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অধ্যাপকদের প্রাতিষ্ঠানিক বৈকালিক প্র্যাকটিস, ২৪ ঘণ্টা ল্যাবরেটরি সুবিধা ও জরুরি চিকিৎসা বিভাগ চালুর মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষ স্বল্প অর্থ ব্যয় করে উন্নত বিশ্বের মতো আধুনিক ও মানসম্পন্ন সেবা পাচ্ছে। বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৬৪০তম স্থানে। তবে সব শিক্ষক-চিকিৎসকের ইন্সটিটিউশনাল প্র্যাকটিসের ব্যবস্থা করা, সব চিকিৎসককে প্রণোদনা ভাতা প্রদান, শিক্ষকদের যানবাহন প্রদান করা প্রশাসনিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি।

চিকিৎসাশাস্ত্রের উৎকর্ষ সাধনে গবেষণার বিকল্প নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গবেষণার এ বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আইআরবি (Institutional Research Board) গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে গবেষণার কাজ সুচারুরূপে চলছে। ভবিষ্যতে নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক সূচকে প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হবে এ প্রত্যাশা আমাদের সবার। Rockefeller-এর সহায়তায় Public Health Deptmn অন্যান্য বিভাগে গবেষণার কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আইটি সেকশনকে আপগ্রেড করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ডিজিটাল লাইব্রেরি গঠন করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়টিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কেও সঙ্গে সংযুক্ত করে Research and Education-এর আওতায় আনা হয়েছে। ভার্চুয়াল ক্লাসরুমসহ Digitalization-এ অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকারের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কোরিয়া সরকারের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় ১০০০ শয্যাবিশিষ্ট কোরিয়া মৈত্রী বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, অচিরেই যার বাস্তবায়ন শুরু হবে।

রোগীবান্ধব পরিবেশে চিকিৎসাসেবা প্রদান, চিকিৎসাশিক্ষা ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সংযুক্তির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবে এ প্রত্যাশা আমাদের সবার।

অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ : প্রোভিসি (প্রশাসন), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়