বিজে২৪ নিউজ:

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি: সেরা ইউটিউবার হতে চান নোয়াখালীর সেনবাগের সৃজনশীল তরুন রবিউল হোসাইন রবিন

 

এই বিষয়ে বিবিসি জার্নাল টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাথে কথা হয় রবিউলের সাথে সে জানায়, কোন এক সময় ইউটিউব কি আমি জানতাম না। আমার মন মানসিকতা ছিল সারাক্ষণ ফেসবুক নিয়ে আর অভিনয়ের দিকে। তখন থেকেই স্কুলকলেজের সব অনুষ্ঠানে অংশ নিতাম। অভিনয় করার মতো কোথাও কোনো সুযোগ পাইনি। এক সময় জানতে পারলাম ইউটিউবে নিজের প্রতিভা নিজেই প্রকাশ করার সুযোগ আছে। তারপরই এই প্ল্যাটফর্ম বেছে নিলাম এবং ইউটিউবে কাজ শুরু করি। এখন ইচ্ছা সেরা ইউটিউবার হবার

 

পড়াশোনা এবং শৈশব, কৈশোরে বেড়ে ওঠা আমার নোয়াখালীতেই বাবামা আর ছোট ভাই এবং আমি। এই নিয়ে আমাদের পরিবার। বলতে গেলে আমি একজন খাঁটি গ্রামের ছেলে। গ্রামের আটদশটা ছেলেদের মতো বড় হয়েছি

 

রবিউল হোসেন রবিন বলেন,আমার ইচ্ছা পোষনে ইউটিউবার হওয়ার  পেছনের ঘটনা বলতে গেলে আমাদের দেশের বড় বড় ইউটিউবারদের অনুসরণ করতাম তারা কি করে কাজ করত? তাদের কাজ দেখতাম যেমন প্রত্যয় হিরোন, তাইউহিদ আফ্রিদী , প্রান্ত ভাইয়া, হায়াত মাহমুদ রাহাত, প্র্যাংকিং এর সজিব ভাইয়া, এবং বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল ফলো করতাম, সিডি চয়েজ, ধ্রুব মিউজিক স্টেশন, টাইগার মিডিয়া, সবাইকে অনুসরণ করতাম। আগে কাজটা শিখলাম কিভাবে কি করতে হয়? পরে যখন ভাবলাম, আমিও পারবো এখন ইউটিউবে কাজ করতে তখনই আমি আমার চ্যানেলটি নিয়ে কাজ শুরু করি। এরপর সবার পরামর্শ নিচ্ছি। আরো ভালো কাজ কিভাবে করা যায়। সবার ভালো প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি

 

যখন বন্ধুদের সঙ্গে বসে আড্ডা দিতাম মজা করতাম মজার মজার জোকস বলে ওদের হাসতাম তখন মনে হতো আমি তো আমার ভিডিও এর মাধ্যমে সবাইকে হাসাতে পারব। চলার পথে আশপাশের অনেক সমস্যা চোখের সামনে পড়তো কিছু বলতে পারতাম না, প্রতিবাদ করতে পারতাম না, তখনই মনে হতো এসব ভুলগুলোর আর অন্যায়ের প্রতিবাদ তো আমি আমার ভিডিওতে তুলে ধরতে পারি। এভাবে মাথায় আইডিয়া আসলো কি নিয়ে কাজ করব

 

 

আমি কাজকে ভালোবাসি। আমার কাজ দিয়ে এদেশের জন্যে দেশের মানুষের ভালো কিছু করতে চাই। ছাড়াও, আগামী দশ বছর পর নিজেকে বাংলাদেশের সেরা ইউটিউবারদের একজন হিসেবে দেখতে  চাই।