ঢাকায় পরিত্যক্ত বাড়ি ৬৪০৯, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ২৫৫: গণপূর্তমন্ত্রী

 

অনলাইন ডেস্ক:

 

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম সংসদকে জানিয়েছেন, বর্তমানে ঢাকায় ৬ হাজার ৪০৯টি পরিত্যক্ত বাড়ি রয়েছে।সোমবার সংসদের বৈঠকে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে হাজী মো. সেলিমের (ঢাকা-৭) লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এসময় সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

 

মন্ত্রী জানান, পরিত্যক্ত বাড়িগুলোর মধ্যে থেকে কিছু বাড়ি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বরাদ্দ প্রাপক ও চাহিদাপত্র হোল্ডারদের অনুকূলে বিক্রি করা হয়েছে। কিছু বাড়ি মালিকদের অনুকূলে অবমুক্ত করা হয়েছে।

 

২৫৫ ঝুঁকিপূর্ণ ভবন

 

চট্টগ্রাম-১১ আসনের এমপি এম আবদুল লতিফের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১০ সালে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে রাজধানীতে ৩২১টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করেছিল। যদিও এসব ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণ ও ভেঙে ফেলার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের।

 

২০১৬ সালে ওই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ফের জরিপ করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর মধ্যে মালিক কর্তৃক ২৫টি ভবন ভেঙে ফেলেছে। এছাড়া ২৮টি ভবন মালিক কর্তৃক ভেঙে নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে ২৫৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন বিদ্যমান আছে, যার মধ্যে ৩৫টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন এবং ২২০টি বাহ্যিক ঝুঁকিপূর্ণ ভবন।আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে ভবনগুলো চূড়ান্তভাবে ঝুঁকিপূর্ণ নিশ্চিতকরণ সাপেক্ষে সেগুলো ভেঙে ফেলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

 

পূর্বাচলে বরাদ্দ হয়েছে ২৪ হাজার ৬৯৬ প্লট

 

আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩) প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় ২০০৩-২০১৯ সাল পর্যন্ত ৩, ৫, ৭ দশমিক ৫ ও ১০ কাঠা আয়তনের ২৪ হাজার ৬৯৬টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্লটগুলো মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/সংসদ সদস্য ও সমমর্যাদা সম্পন্ন বিচারপতি, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সরকারি চাকরিজীবী, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকরিজীবী, সশস্ত্রবাহিনী, ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি, বেসরকারি চাকরিজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক ও ক্রীড়াবিদ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী, অন্যান্য, মূল অধিবাসী, ক্ষতিগ্রস্ত এবং ১৩/এ ধারা (সংরক্ষিত) ক্যাটাগরিতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে কম/বেশি ১৫ হাজার জনকে চূড়ান্তভাবে প্লট বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।